শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪

পূর্ণতা - অব্যয় অনিন্দ্য

পূর্ণতা
 অব্যয় অনিন্দ্য

আমার বয়সের স্কেল বা জ্ঞানের কাঠি বুঝি এভারেস্টটা ছুঁয়েই ফেলল। তা না হলে দিগম্বরী দেবীর জীয়ন পুকুরের সামনে আসলে - এখন আর কেন মনে হয় না – অই জীয়ন পুকুরে রবীন্দ্রনাথের আত্মাটাকে চুবিয়ে আমাকে দিলেই আমি রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাব।

কৈশোরের সবজান্তা বাবাকে এখন মাঝে মাঝেই বড় বোকা মনে হয়; এখন আমি প্রায়ই ভুলে যাই - আমার অহংকারী বুদ্ধিটার ডানা অই বাবা-গাছটার বাঁকলেই তৈরি; ওই বোকা হাত দুটোই আমার বয়সটার আদিমতম বডিগার্ড।

যে ঘড়িটা সপ্তর্ষী মণ্ডলের কাছে দিয়ে ঝিঁ ঝিঁর ডাকে ঘর ছেড়েছিলাম, ওটা অচল হবার খবরটাও পাইনি; কারণ আমি এখন নিজেই খবর হতে প্রাণপন চেষ্টা করি। ঘড়িটা কোথায় - ঝিঁ ঝিঁ কোথায়? এ প্রশ্নও মনে আসে না। স্বাভাবিকতার সমীকরণে প্রশ্নের ডেটাবেজ মুছে গেছে।  

এখন আমি দক্ষিণ গোলার্ধে থাকি; কিন্তু জানতে চাই না – দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশে সপ্তর্ষী মণ্ডল নাই কেন?


0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন