গুচ্ছকবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গুচ্ছকবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

গুচ্ছ কবিতা - সুবীর সরকার



সুবীর সরকার-এর গুচ্ছ কবিতা
শীত
প্রচুর গাছপালা
বরফ পড়ছে আর শীত
                         
বাড়ছে
সতর্কতার প্রাধান্য
বিষাদের ব্যাপ্তি
হন্তদন্ত নেমে আসা
মাঠের ভিতর
ভোজসভা
সুশৃঙ্খল ভোজসভা
নামিয়ে রাখা
            
টুপি
যাবো সরণির দিকে
যাবো সড়কের দিকে


পানশালা
চওড়া হাসি
পানশালার ভিড়
তুমি কি গোপন
                      
সমর্থক!
ছোট্ট ফ্ল্যাশব্যাকআংশিক
                         
ঘুম

থাবা
দৃশ্যের হাত ধরে দৃশ্যরা
মৃদু ও উত্তেজিত
থাবার চিহ্নে বাঘ চিনে
                            
নেওয়া
টান
নদীজলে এত টান!
হয়তো শূণ্যতা হাসির
                      
পিছনে
দুকলিও গাই নি
দপ করে জ্বলে ওঠে
                         
আলো

গুচ্ছ কবিতা - সঞ্জয় ঋষি



সঞ্জয় ঋষিগুচ্ছ কবিতা



এক.
নাকছবি রোদ্দুর নাকে পড়ে
হেঁটে আসছে লেডিবার্ড সাইকেল...

মানুষের ছায়া রাস্তা মুখস্হ করে...


দুই.
তোমাকে এঁকে যাব সারা বছর
নাক,চোখ...
চুলের রিবন রঙ করব
বিদায় নেবার সময়


তিন.
প্রতিটি জীবের সাথে একতারার সম্পর্ক আছে
তবু সকলে বাউল হতে পারে না


চার.
আমার কোন স্হায়ী ঠিকানা নেই
ঠিকানা হূদয়ে হূদয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে...


পাঁচ.
নিমন্ত্রন বাড়ি থেকে সকলে চলে গেছে
তুমিও চলে গেলে একটি উজ্জ্বল তারা নিয়ে

গুচ্ছ কবিতা - সুব্রত হাজরা



সুব্রত হাজরার কবিতা ...

কিছু উচ্চারণ কথা

( ১ )

প্রতিদিনই ভাবি -
তোমায় একটু একটু করে ভালোবাসবো  
প্রথমে অধিগ্রহণ তারপর নির্মাণ
কিন্তু তুমি সামনে এলে
কোথা থেকে যে কি হয়ে যায়
চূড়ান্ত উন্মত্ততায় ভেঙে ফেলি নিজেকে
গর্বিত কোন ময়ূরের মতো

( ২ )

বৃষ্টি বড়ই প্রিয় আমার
কিন্তু বৃষ্টি ভিজতে ভালোবাসি এমন
                                        - কখনই না
কিন্তু মামমামের সাত রঙ স্বপ্ন যে
বৃষ্টির পরেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে
ভিজিয়ে দাও হে শ্রাবণ
ধুয়ে থাকে সমস্তর সমস্ত কিছু


( ৩ )

কখনো কখনো ভাবি -
একমুঠো কুড়িয়ে আনা শিউলি
তোমায় উপহার দেব
শিশির ভেজা স্পর্শে
তুমি চোখ তুলে চেয়ে, খুঁজে নেবে
সদ্য সতেরর শরৎ কে
তখন ভালো মানুষের মতন
কাশফুলের কি একটুও হিংসে করবে না

( ৪ )

শেষ বলে কিছু হয় না
হয় না শেষের শেষও
তুমি পাশে থাকলে, সব সময়ই শুরু

( ৫ )

পূর্ণিমার চাঁদের কাছে কি-ই বা আর চাইব
সকলের ভালোহোক, ভালো হোক সকলের
আসলে এগুলি সব তোমার থেকে শেখা

গুচ্ছ কবিতা - অপু মেহেদী



অপু মেহেদীর গুচ্ছ কবিতা


রাতের ছায়া

হাওয়ার প্ররোচনায় ভবঘুরে দিন উড়ে গেলে থেকে যায় নাটকীয় রাত আমাকে কেবলই ডেকে যায় হেঁয়ালি অন্ধকার

বেআব্রু নক্ষত্রের চোখে ঘুমসিগন্যাল পরে থাকে ছায়াহীন শহর তুমি বলো, রাত মাত্রই নীলগন্ধ রুমাল রুমালের মধ্যে একটি হলুদ ফুল ফুলের মধ্যে এক টুকরো আগুন আগুনের ভেতর কিছু অযাচিত অন্ধকার...

আমি বলি, প্রতিটি রাত এক একটি রেললাইন রেললাইনের উপর একটি ধূসর ট্রেন ট্রেনের ভিতর একজন নিঃসঙ্গ যাত্রী যাত্রীর চোখে পরাবাস্তব ঘুম...

ঘুম আর অন্ধকারে মিলিয়ে যায় রাতের ছায়া আমি তখন বিষন্ন বিড়ালের চোখে খুঁজি সরাইখানার


অনুসিদ্ধান্ত

মিছিলের শহরে মৃত্যু বাজে কেউটে বিড়ালের পায়ে ঝুলে থাকে পৃথিবীর উচ্ছিষ্ট পাপ
বর্তুল শিম্পাঞ্জীর দল দেশলাই জ্বালিয়ে পোড়ায় মানুষ না হওয়ার আর্তনাদ
         
জাফরানি মেঘেঝরা দিনে নাচঘরে নাচে টাটকা রমনী
তার ব্রয়লার বুকে ভাসে অমরত্বের কৌনিক উপপাদ্য

অথচ আমি, মিছিলফেরত শিম্পাঞ্জীর চলতি পুরুষ
মোনালিসার ব্লাউজ শুঁকেই পেয়ে যাচ্ছি অনুসিদ্ধান্ত



দ্বিধা

হাওয়ার সাথে দর কষাকষি শেষ হলে বেঁচে দেব কাঠঠোকরার কবন্ধ ভাষা

আমার উঠোনে ঘর পালানো রোদ; জন্মান্ধ ফড়িংয়ের উড়াউড়ি হলুদ পাতার দিনে এসে ভিড় করে লাল নীল অবৈধ চিঠি

স্মৃতি মাত্রই অতীত নয় কিছু হয় প্রশ্নাতীত কিছু প্রশ্ন উত্তরাতীত

অতীত স্মৃতির দ্বিধায় কেটে গেছে সকল প্রশ্নবিদ্ধ দিন তবু উত্তরের ত্রিবেণী গিঁট খোলার সাহস হয়নি শুধু এই ভেবে-  আমি শুধু প্রশ্নেই ছিলাম; উত্তরে নয়